কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু'' কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে। হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন ...
কাউকে উদ্দেশ্য করে হোক অথবা কোন না উদ্দেশ্য নিয়েই হোক অথবা উদ্দেশ্যমূলক কিছু নেগেটিভ মানসিকতায় হলেও তাদের এই ক্ষমতা মনে হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য।
হুম্! ব্যাপারটা যেন কিরকম মনে হচ্ছে–এটা বোঝানো মুশকিল।কিন্তু আমিও সেটা জানতে পেরেছি এখন-- দেরীতে হলেও জেনেছি! হুম্ ব্যাপারটা যেন কিরকম মনে হচ্ছে–এটা বোঝানো মুশকিল।কিন্তু আমিও সেটা জানতে পেরেছি-- দেরীতে হলেও জেনেছি। কিন্তু অবশেষে আমি যে জানতে পেরেছি এটাই সত্য।যে ব্যাপারটি গুরুত্বহীন হয়ে আকাশে বাতাসে এতদিন ভাসছে তা এখন আব্রুহীন।হতেও পারে যে কেবল আমারই জানা বাকি ছিলো।সেটা আলোচনা সাপেক্ষ বিষয়। শুধুই আমার জানা ও না জানার মধ্যে এই যে গুরুত্বহীন, চিন্তাহীন ও ভাবনাহীন অংশটুকু এতদিন নির্লিপ্ত অবস্থানে গা ঢাকা দিতে পারতো নিশ্চিন্তে সেই সময়টা এখন সচেতন ও জাগ্রত সময়। এ বিষয়ে অনেকেই বলতে পারে যদি কেউ দ্বায়িত্বহীন বোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে কিছুনা কিছু বলে, অথবা তার বহুদিনের না বলা কথাগুলিও বলতে পারে সে এখন, কিছুটা নিশ্চয়তার অন্তরালে থেকে। এই যে এভাবে বলতে পারার যে নিশ্চয়তাটি তৈরী হল এটা তবে কোথা থেকে ও কেমন করে হল-- কিভাবে এবং কাদের কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পাচ্ছে মানুষ? তবে আসলে ব্যাপারটা যা হল এই যে আমি এটা জানতে পারলাম কিন্তু তবুও যেটুকু অর্থহীনতা তবুও রয়েই গেছে নেপথ্যে সেইসব অর্থহীনতার মধ্...