''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে
কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু''
কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে।
হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন অর্থনৈতীক মানদন্ডে পৃথিবীর মানুষের মধ্যে যে তীব্র স্বাধীনতার বোধ পরিলক্ষিত হচ্ছে চারিদিকে তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। স্বাধীনতা বোধের মোকাবেলায় যে কোন ধরনের এম্পাওয়ারমেন্ট অতীতের এক একটি ব্যার্থ প্রজেক্ট। কারন যে কোন এম্পাওয়ারমেন্টে ঐতিহাসীক ভাবে অবিসংবাদীত কিছু দ্বৈত চরিত্রও লুকিয়ে থাকে। এইজন্যই প্রোগ্রমেবল রোবটের কথা উঠেছে।
এগুলো সর্বাংশে সত্য নয়। এটাকে বরং একটি সেকেন্ডারী লেভেলের বুদ্ধিবৃত্তি বলা যায়। তাই এসব হল আলোচনার টেবিলে উপস্থাপন যোগ্য কিছু ইউটপিয়ান চিন্তা মাত্র। বুদ্ধিবৃত্তির ছোঁয়া এখানে কম হলেও বাট আমার পর্যবেক্ষনে যা বুঝেছি তাতে করে মানুষের স্বাধীনতা বোধ আগের তুলনায় যে অনেক বেড়েছে এবং একইসাথে ভারসাম্যও হারাচ্ছে ঐ প্রসঙ্গেই শুধু আলোকপাত করছিলাম। আশা করি আমাকে ভুল বুঝবেন না ভাই এবং বন্ধু।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন