সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কি নিয়েছি এবং কি দিলাম এই চিন্তা করার সক্ষমতাই হচ্ছে একটি সমাজের সুস্থতা

 কি নিয়েছি এবং কি দিলাম এই চিন্তা করার সক্ষমতাই হচ্ছে একটি সমাজের সুস্থতা।


কি নিয়েছি এবং কি দিলাম এই চিন্তা করার সক্ষমতাই হচ্ছে একটি সমাজের সর্বজনীন সুস্থতার মাপকাঠি। সুস্থভাবে নিত্যদিনের লেনদেন মনে রাখার সক্ষমতাই হল সমাজের শক্তিশালী গাঠনিক ভিত্তিমূল্য।এভাবেই সমাজের পারস্পরিক নির্ভরতার চিত্রটিও ফুটে উঠে। কারণ সমাজ গড়ে ওঠে লেনদেনের ভিত্তিতে। এটাই পরে বিশ্বাসের ভিত্তিমূল তৈরি করে। বিশ্বাস, এটা হচ্ছে যে কোন কিছুরই স্থিতিশীল থাকার মূল শর্ত এবং ভিত্তিমূল। যদি ভিত্তি শক্ত না হয় তাহলে যেটাই গড়ে উঠুক না কেন সেটা বেশিদিন টিকে থাকে না। তাই জিনিসটাকে এভাবেও দেখা যায়। যে পুরো সমাজ কাঠামোটা কিসের ভিত্তিতে কাজ করে? কোন কোন শর্তের উপর নির্ভর করে থাকে সামাজিক ভারসাম্য? যে কোনো সমাজের গতিবিধি বুঝতে হলে এই প্রশ্নের উত্তর জানার বিকল্প নাই। সমাজের স্থিতিশীলতার উপাদানগুলি কি কি এই আলোচ্যসূচীর প্রারম্ভে প্রথমেই ধরে নেয়া যাক যে অর্থনীতির কাছেই সবমানুষের কিছু না কিছু দায়বদ্ধতা থাকবে। আর কি সেই দায়দায়িত্ব? দায়বদ্ধতা বাদেও আরো কিছুটা দায়দায়িত্বও থাকে হয়তো। সেগুলো হচ্ছে পরের কথা। অর্থাৎ কার কতটুকু দায় বা দায়িত্ব রয়েছে সমাজের প্রতি সেসব হিসাব নিকাশ পরবর্তী হিসাবের বা সম্পদের সুষম বণ্টন বিধি এবং সোশ্যাল জাস্টিসের বিষয়। দায়দায়িত্ব এর হিসাবে গেলে মানুষের মনের প্রতিক্রিয়ায় অনেক গড়িমসি হলেও কিন্তু তবু নিজেদের প্রয়োজনকে উপেক্ষা করতে পারবেনা কোন সমাজের মানুষই।


বিভাজন সত্ত্বেও প্রত্যেক মানুষের আশপাশেই অনেক গরীব  লোকেরা বাস করে থাকে। আমরা অনেক এমন গরিবকে চিনি যে কিনা ভিক্ষা করে।প্রসঙ্গটাই হল ভিক্ষা করা। কেন ভিক্ষা করে বা আগেও কি সে ভিক্ষা করতো কিনা সেটা আমরা কেউই কখনো জানার আগ্রহ দেখাই না।তাহলে প্রশ্নটা হচ্ছে এই সমাজে বসবাসরত দরিদ্ররা কি পর্যাপ্ত কর্মের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে? অথবা কি সরকারের গঠনমূলক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পাবে কিনা ভবিষৎতে এটা সবারই তো জানা থাকা উচিৎ।প্রত্যেকের মত পার্থক্যগত ভেদাভেদ সত্ত্বেও ভবিষৎ প্রত্যক্ষনের ইচ্ছা সবারই থাকে। কিংবা দরিদ্রদের জন্য কোথায় পর্যাপ্ত পরিমাণে যেসব সুযোগ রয়েছে যাতে করে তারা অন্তত ন্যূনতম জীবন ধারণ করতে পারে এ বিষয়ে জনমনে সচেতনতা বৃদ্ধি করার কোন ওয়ার্কফোর্স বা কর্মসূচী চালু রাখা কতটা দরকারী।এটা শুধুমাত্র তথ্যউপাত্ত সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ হলে চলবেনা।জনগনের মতামতের ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালু রাখা উচিৎ। এবং এরপরই যে প্রশ্নটি সামনে আসে সেটা নিজেকে প্রশ্ন করা, যে আমরা বস্তুত কতটা সমাজ সচেতন আর কতটা পারিবারিক ভাবে দায়িত্বশীল মানুষ আছি।এবং এই দুটি অবস্থানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় আমরা কতটা সংগঠিত; দক্ষ এবং বিবেচক ভূমিকা রাখছি এই সমাজে।এরপর এটাও জানতে হয় যে আমরা সামাজিকভাবে এসব দেখবার মত পর্যাপ্ত সময় পাই কিনা অর্থাৎ কিরকম ব্যাস্ত থাকি। সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের ভিতরে থাকে অন্তত কিছু না কিছু ব্যবসা-বাণিজ্য করার ক্ষমতা যদি পুঁজির সংস্থান হয় এবং উদ্যোগী শ্রেণীর প্রভাব প্রতিপত্তি থাকে সমাজে তখন। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি এইসব ব্যবসা বাণিজ্যও সহজ-সরল পথে চলছে কিনা অথবা স্বাভাবিকভাবে করা সম্ভব হবে কিনা সেটা বুঝতে হলেও সমাজের উপরের শ্রেণীর দিকে একটু তাকানোর প্রয়োজন আছে।দেশের আপামর জনগণ তথা সকল স্তরের মানুষের নজর উচ্চবিত্তের মানুষদের প্রতি কতটুকু বিদ্যমান আছে? বিনোদনের মাধ্যম হিসাবে তাদের প্রথম পছন্দ কি? এই পরিস্থিতির বিশ্লেষনে উচ্চবিত্তের প্রতি নজরদারী আসলে এক ধরনের অস্বাভাবিকতা এবং এটা অস্থিরতারও সূচক। কেননা পরিবেশটা দেখেই বোঝা যায় যে সমাজের মধ্যে শুধু কি বড়লোকরাই মানুষের নজর কাড়বে নাকি মানুষদের নিজেদের সীমানায় কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত যেটকু সুযোগ সুবিধা থাকছে মানুষেরা কি সেদিকেই ধাবিত হবে কিনা। কর্মসংস্থান সুযোগ যেমন কিছু সমাজে মানবাধিকার হতে পরে অন্যকোথাও সেটাই আবার অধিকার বলে বিবেচিত হতে পারে। তেমনি এই বিষয়টিকে একটু অন্যভাবেও দেখা যায়। সেটা হল মানুষের মধ্যে সামাজিক কমিটমেন্ট আছে কিনা, কমিটমেন্ট থাকলে তার স্বরূপ কি রকমের বা সমাজের কাছে মূলত মানুষের প্রত্যাশার বিষয়গুলি যা যা আছে সেগুলো কি আকাশ কুসুম দুর্লভ কোন কিছু? নাকি স্বাভাবিক মানবিক চাহিদা।মানুষের সেইসব প্রত্যাশাগুলিও অবশ্যই বাস্তবসম্মত হতে হবে।বাইরের অন্য কাউকে কি সমাজের মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করা হবে নাকি হবেনা অধিবাসীদের জন্য সেসবের খবর রাখাও গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু। সুতরাং গরিবদের সামাজিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি কতটা করে দেয়া হচ্ছে আর সরকারি কর্মের সুযোগই বা কম শিক্ষিত এসব মানুষদের জন্য কতটা রাখা আছে সেসব কিছুই পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করার দাবি রাখে।


আমরা মানুষেরা স্মৃতিময় প্রাণী। তাই কে কতটা মনে রাখতে পারে সেটাই স্মৃতি সেটাই সফলতা অথবা ব্যার্থতা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হিসাব করলে দেখা যাবে যে ব্যক্তি মানুষের মনের সুস্থতার প্রতীক হচ্ছে তার স্মৃতি এবং বয়ে বেড়ানো স্বাস্থ্য এবং এজন্য এর স্মৃতির সাথে সমাজেরও সমন্বয় তথা মানসিক একটি সমন্বয় একদম জরুরী একটি বিষয়। সুস্বাস্থ্য রক্ষায়  চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি সমাজ সচেতনতার মধ্যদিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার চেষ্টা করা সেটাও একদম জরুরী। এছাড়াও ইতিহাস বিকৃতি তো হবেই যদি মানুষের সুস্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে সমন্বয় করা না হয় তখন।সেটা অন্য উপসর্গ হয়তোবা পাগলামী। তদুপরি রয়েছে মিডিয়া, এরাও আবার অনবরত মিথ্যা প্রচার করতে পারে। কেননা মিডিয়ার কাজ হল উদ্দেশ্যমূলক কিছু না কিছু প্রচারণা চালানো যাতে করে জনমতের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনমানষে তাদের ধারণার বাইরে কোন প্রকার বিরূপ প্রতিক্রিয়া না হয় সেজন্য। অধিকন্তু এই উপায়ে মিথ্যাবাদী শ্রেনী কিছু মধ্যস্বত্বভোগী দালাল সক্রিয় থাকে, তাদেরও ব্যবসা চলমান থাকে। এবং এরপরও থাকে মানুষ রুপী কিছু  শয়তান। যারা বৈদেশিক প্রভাব বলয়ের আওতায় ঢুকে যায়, তারা সামাজিক বৈষম্যের দীর্ঘদিনের চলমান এইসব ব্যাপার গুলিকে আরো জটিল করে তুলে অথবা বিকৃত করে তুলতে পারে। কারণ মিডিয়ার একটানা প্রচারণার ফলে মানুষের কাছে অনেক বিষয় সম্বন্ধে তবুও স্পষ্ট কোন ধারণা তৈরি না হলে পরে সেসব বিষয়ে সম্বন্ধে জানতে মানুষ খুবই উৎসাহী হয়। অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এইসব মানুষরা এগিয়ে যায় বিদেশী মাধ্যমের দিকে। এভাবেই মিডিয়ার বিকৃতির এসব চর্চাগুলি যখন একটি চরম পর্যায়ে যেতে পারে তখন মানুষের আর বলার কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা। তাই সমাজকে সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করতে গেলে অবশ্যই মিডিয়ার সর্বময় নিয়ন্ত্রণ থেকে দূরে থেকে গরিব মানুষের অন্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যাপারে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখা চাই। 


সমাজের বিভেদ প্রথমেই সম্প্রদায়ের অন্তর্গত বিষয় হলেও পরবর্তীতে এটা আসলে নারী, পুরুষ, ছেলে, যুবক, বৃদ্ধ আবাল, বনিতা সবার মধ্যেই দেখা দিবে।এটা একদিন না একদিন সংক্রমিত হতে হতে অবশ্যম্ভাবী রূপে ক্যান্সারের মত প্রকাশিত হবে। এইরূপ সমাজের মধ্যে ধর্মীয় সহিষ্ণুতাও কমতে পারে। কমে যেতে পারে সম্প্রিতী। এটা হতে বাধ্য কারণ মানব গোষ্ঠী যখন দানবে পরিণতি হয়ে যায় এই অবস্থায় পড়লে তখন ধর্মের প্রত্যক্ষ ভূমিকাও কি ছিলো তাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।


উপরের বক্তব্যগুলিতে যে প্রকারে ছক কাটা হয়েছে বা ছকে ফেলা হয়েছে সেটা সমস্তই একটি গঠনমূলক এবং কল্যাণকামী সমাজের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। দরিদ্র মানুষের কর্মকান্ডকে আরো সহজ করার জন্য। এগুলি হচ্ছে কতগুলি দৃস্টান্ত কিংবা ছক বা কতগুলি গৎবাঁধা নিয়ম যেটা একটি পরম্পরা সূত্রে গাঁথা। একটি মহৎ উদ্দ্যেশ্যকে সামনে রেখেই এই ছক কাটা হয়েছিল যেন জীবনের স্মৃতিময় অধ্যায়গুলো মিডিয়ার মিথ্যা প্রচার প্রোপাগান্ডার বাইরে অবস্থান করে সঠিক তথ্য সেবা দেয়। এবং সেটা মানুষকে অনুভবের মধ্যে বুঝতে এবং জেনে নিতে সাহায্য করা। কিন্তু স্মৃতিগুলিই যদি সঠিক তথ্য না দেয় বা মিডিয়ার বিকৃতির স্বীকার হওয়ার কারণে দুঃসহ স্মৃতি যখন দেশে ও বিদেশেও ছড়িয়ে যায় তখন এই সব উল্লেখিত বিভেদ বৈষম্য গুলি দূরীকরণের জন্য এইরকমই কিছু ভালো প্রোগ্রাম কেও একটি দানবীয় শক্তিতে উল্টে দেয়া সম্ভব। সেই শক্তিটা আর কিছুই না।এটা হচ্ছে মানুষেরই নিজস্বতা অর্থাৎ মানুষের ব্যক্তিগত স্মৃতিভান্ডারে রক্ষীত সবকিছু এবং দানবের মনের মধ্যেকার ধ্বংসাত্মক স্মৃতির ভিতরের গঠনমূলক তফাৎ বা পার্থক্য। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে

  কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু'' কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে। হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন ...

মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক হোক অথবা প্রতিবন্ধী শুধুমাত্র রাজনৈতীক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একজন ব্যাক্তির মুক্তির একমাত্র পথ হতে পারে না। সচেতনতার মধ্যেও সুপ্ত থাকে সন্দেহের বিষ

জনগনের মধ্যে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ বাসা বাঁধলে তখন গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায়ও তার একটি আভাস থাকবে অথবা প্রভাব পড়তে পারে পররাস্ট্রনীতিতেও।তাই দ্বিতীয় শ্রেনীর রাজনীতি হতে মুক্তি তথা একটি সন্দেহমুক্ত ও একটি চাহিদামাফিক ও অংশগ্রহনমূলক গনতন্ত্রের জন্য দ্বার উম্মোচন তথা রাজনীতির বাইরের পৃথক কিছু কম্যুনিকেশান সেল থাকা উচিত।এইসব কম্যুনিকেশান সেলের পৃথক সাইনবোর্ড থাকাও জরুরী যাতে করে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে দেরী না হয়। জনগন যদি কোন সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততা দেখায় তখন সেটা ব্যাপকভাবে রাজনৈতীক ব্যার্থতার নিদর্শন হয়ে যাবে এবং গনতন্ত্রচর্চা মসৃন পথে না গিয়ে নানামুখী টানাপড়েনে পড়তে পারে ও বৈদেশীক হস্তক্ষেপ তখন অবধারিত হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি হওয়ার আগেই সামাল দেয়ার জন্য কম্যুনিকেশন সেলগুলির ভুমিকা মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের গ্রহনযোগ্যতায় আরো সহজলভ্য করাও জরুরী। Facts, in other words, do not speak for themselves. They require interpretation, prioritization, and contextualization—all of which are influenced by the historian’s philosophical orientation, cultural bac...

মানুষের কল্পনাশক্তি অতিমাত্রায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলেই সেটা অতিন্দ্রীয়তা হয়ে যায় না।

 বাস্তব উপলব্ধীর মধ্যেও পক্ষাবলম্বন থাকবেই। কিন্তু এর পরেও পক্ষে বা বিপক্ষে থাকার একটি মধ্যবর্তী অবস্থা বিরাজ করতে পারে। যখন প্রকৃত অর্থেই কোনপ্রকার দশাসই মধ্যবর্তীতার অনুপস্থিতি সমাজ সংস্কৃতিতে প্রকট আকার নেয় তখন দর্শকরাও বসে না থেকে পক্ষাবলম্বন করে ফেলতে পারে। অথবা দেশ ও দশের শান্তি শৃঙ্গ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরী হলে তখন এইধরনের পক্ষ নেওয়া আরও সুস্পস্ট হয়ে পড়ে। এবং অবধারীত ভাবে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করে। মানুষের কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য থাকেই যদিও কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তি এর একটি অপরটির পরিপূরক। কল্পনাশক্তি ব্যাক্তির কাজে লাগবেই কারন এর মাত্রা একটুখানি বিস্তৃত।যাত্রাপথটিও প্রসারিত হয়। পথ চলতে গেলেই কল্পনাশক্তির প্রয়োজন হবে। তা না হলে তো খানাখন্দে পড়তে হয়। কিন্তু ধীশক্তি হচ্ছে আলাদা জিনিষ। এটা সাধারনতঃ ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ব্যাবহরিত হয় কিংবা হচ্ছে। এবং সামাজিক চালচিত্রে তার কিছু না কিছু সুস্পস্ট চিহ্ন বর্তমান থাকবে।এটা সামাজিক স্থিতিশীলতার বাহক। অথবা সমাজ সংসার ঘিরে থাকা সকল সভ্য আচার আচরনে এসব ধীমানদের ক্রিয়াকলাপ প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। এটা গনমানু...