সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বর্তমান বিশ্বে ধর্ম বিশ্বাসের গতিবিধি কেমন করে জীবনকে প্রভাবিত করছে

 বর্তমান বিশ্বে ধর্ম বিশ্বাসের গতিবিধি কেমন করে জীবনকে প্রভাবিত করছে বা অন্যকথায় বললে যেভাবে বিশ্বাসের প্রথাগত অগ্রগতি হচ্ছে পার্থীব উন্নয়ন ধারনা গ্রহীতা এইসব বিভিন্ন সমাজ বাস্তবতায়।


আমরা যে পদ্ধতিতে বিশ্বাসকে ধারন করতে চেস্টা করি তা হল অনুভব এবং বিশ্বাসের এক বা একাধিক সামন্তরিক অগ্রগতি।কিন্তু যেটা দুঃখজনক সেটা হচ্ছে এই অবস্থা হল সেই অবস্থা যখন ব্যাক্তির সরাসরি উপস্থিতিকে অস্বীকার করা হয় বা মানব অস্তিত্বকেই প্রকারান্তরে অস্বীকার করা হয়ে থাকে।যেন মানুষের চৈতন্য লাভের পরে এটাই ঈশ্বরের চোখ এবং যেন এটাই হচ্ছে চেতনার দৃস্টিভঙ্গী। অতঃপর কোন কোন ব্যাক্তির ক্ষমতাকে মানুষের চাহিদার মধ্যে বিতরন এবং রূপায়ন করা।এই উপলক্ষে ধর্মকে আরও প্রনবন্ত করতে অনেকগুলি পদক্ষেপ নেয়া হয় ও প্রকল্প প্রনয়ন করা হয়। আর বিশ্বাসকে চাহিদার সমান্তরালে রাখলে পরে তখন মানুষের সক্ষমতা পূর্বের চেয়েও আরো বেড়ে যায় তাই তখন উন্নয়নের গতিবধিও সুনিশ্চিত হয়।সরকারকেও এসব অবহিত করা।বিশ্বাস পূর্ববর্তী সক্ষমতার এসব কথা মাথায় রেখে মানুষের বিশ্বাসের ব্যাপ্তিটুকু বাড়ালে তখন উন্নয়নের ভাষার মধ্যেই পাওয়া যাবে বহুমূখী মনের বিশ্বাসের একটি সারাংস। অথবা যিস্ট অনুধাবন করা যায়।আলোচ্য বিষয় হল বিশ্বাস প্রচারের নেপথ্যে এইসব পদ্ধতির গোড়াতেই রয়েছে আসলে কিছু দূর্নীতি যেখানে মূল বিষয়বস্তুই হচ্ছে ব্যাক্তির ক্ষমতাকে অস্বীকার করা।বা আড়াল করা।


একজন সাধারন মানুষের জন্য মহান সৃস্টিকর্তায় বিশ্বাস রাখার পরেও এসব ফাজিলআমি বা ফাজলামী কি জিনিষ? আর কেনইবা এটাই বহুরূপী উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন সম্ভাবনা নিয়ে সমাজে চল হয়েছে? ও কিভাবে এইসব ফাজিলআমি এখন এত মারাত্মক রূপ লাভ করেছে ইদানিং সেটা বোঝা খুবই মুশকিল। পাশ্চাত্য এটা জানে এবং তারাও বুঝেশুনেই কেবলমাত্র ডেটা কালেক্শানের জন্য ব্যাক্তিকে অবহেলার এসব ভিন্নমতের প্রাধান্য দিচ্ছে। এই অপরাধের সঙ্গে পাশ্চাত্যের সবাই কম বেশী জড়িত আছে।তাদের উদ্দেশ্যের এইসব অস্পস্টতা তাদের নানান কর্মকান্ড ও উপস্থাপনাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।উদ্দেশ্যের এইসব অস্পস্টতা হচ্ছে ঘোলাপানিতে মৎস শীকার।পৃথিবীতে এমন ঘরানার উন্নয়ন ধারনাও ব্যতিক্রম নয়।কারন এরাইতো সন্ত্রাসবাদকে সঙ্গে নিয়ে চলে। উন্নয়নের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্কটা এখানেই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।সেটা কি ব্যাক্তিগত ক্ষমতার অস্বীকার করা নাকি সন্ত্রাসবাদে ভয় তার সীমারেখাটি নির্ধারন। বিশ্বাসের উপস্থাপনায় এইসব নানামুখি সামন্তরিকের টানাপোড়েনের মধ্যে শয়তানও বিকৃতি তৈরী করে। বিশ্ব বিশ্বাসের এইরকম বিকৃতি কি পরিমানে সৃস্টিকর্তায় বিশ্বাসী ব্যাক্তিকে আঘাত করবে সেটা এখন প্রশ্নবিদ্ধ।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অলিখিত আমাদের অন্তর।

  শৃঙ্খলা এবং বিশৃঙ্খলার দ্বন্দ এখনও কিছুটা ইতিহাসের খাতায় লিখিত হয়। বাকিটুকুতে তৈরী হয় অলিখিত আমাদের অন্তর। আমরা যা কিছুই শিখি সেটা ইতিহাস থেকে নেয়া হলেও প্রকৃত শিক্ষা হয় একেক জনের জন্য একেক রকম। কারন ধারনা করা যায় যে শান্তি ও শৃঙ্খলার পক্ষে থাকা মানুষ ও বিপক্ষে অবস্থান বিশৃঙ্খল এই প্রধান দুইটি পক্ষের মধ্যেই আসলে যুদ্ধ হয়। মাঝখানে মারা যায় হতাশ মানুষ, অযথাই। জাতীতে জাতীতে প্রথম যেভাবে পরিচয় হত অতীতে সাগর হতে আগত বণীক অথবা আক্রমনকারী তারা যারাই হোক পরিচয়ের শুরুতে কোনই বিশ্বাস কিংবা আস্থার কাহীনি ছিলো না। তা হতে পারে না কারন প্রতিবন্ধকতাগুলি ছিলো অনেক। হয়তো বিদ্বেষ, ভয়ের চেয়েও কৌতুহলই ছিলো বেশী তখন। তাই কাছাকাছি এলেও এই যে আসার কাব্য সেটাও মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি।অথবা প্রসার করেছিলো বিনিময় বা বানিজ্যিক ধারনা। মানব জাতীর একাংশের এভাবে যুদ্ধ ছাড়াই কাছাকাছি এসে অন্য অপরাপর অংশের সঙ্গে বসবাস শুরুর আগেই অবিশ্বাস বা বিশ্বাসের দ্বন্দ নিবারন ও ছন্দের তৈরী করার প্রয়োজন হয়। মানুষ অন্য মানুষকে বিশ্বাস করতো না এবং কিছুসংখ্যক মানুষ নিজের ইচ্ছা ও মর্জী মাফিক অন্যকে বাধ্য করেও মজা পেত। অথবা এইসব উ...

কাউকে উদ্দেশ্য করে হোক অথবা কোন না উদ্দেশ্য নিয়েই হোক অথবা উদ্দেশ্যমূলক কিছু নেগেটিভ মানসিকতায় হলেও তাদের এই ক্ষমতা মনে হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য।

  হুম্! ব্যাপারটা যেন কিরকম মনে হচ্ছে–এটা বোঝানো মুশকিল।কিন্তু আমিও সেটা জানতে পেরেছি এখন-- দেরীতে হলেও জেনেছি! হুম্ ব্যাপারটা যেন কিরকম মনে হচ্ছে–এটা বোঝানো মুশকিল।কিন্তু আমিও সেটা জানতে পেরেছি-- দেরীতে হলেও জেনেছি। কিন্তু অবশেষে আমি যে জানতে পেরেছি এটাই সত্য।যে ব্যাপারটি গুরুত্বহীন হয়ে আকাশে বাতাসে এতদিন ভাসছে তা এখন আব্রুহীন।হতেও পারে যে কেবল আমারই জানা বাকি ছিলো।সেটা আলোচনা সাপেক্ষ বিষয়।  শুধুই আমার জানা ও না জানার মধ্যে এই যে গুরুত্বহীন, চিন্তাহীন ও ভাবনাহীন অংশটুকু এতদিন নির্লিপ্ত অবস্থানে গা ঢাকা দিতে পারতো নিশ্চিন্তে সেই সময়টা এখন সচেতন ও জাগ্রত সময়। এ বিষয়ে অনেকেই বলতে পারে যদি কেউ দ্বায়িত্বহীন বোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে কিছুনা কিছু বলে, অথবা তার বহুদিনের না বলা কথাগুলিও বলতে পারে সে এখন, কিছুটা নিশ্চয়তার অন্তরালে থেকে।  এই যে এভাবে বলতে পারার যে নিশ্চয়তাটি তৈরী হল এটা তবে কোথা থেকে ও কেমন করে হল-- কিভাবে এবং কাদের কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পাচ্ছে মানুষ? তবে আসলে ব্যাপারটা যা হল এই যে আমি এটা জানতে পারলাম কিন্তু তবুও যেটুকু অর্থহীনতা তবুও রয়েই গেছে নেপথ্যে সেইসব অর্থহীনতার মধ্...

''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে

  কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু'' কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে। হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন ...