সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অলিখিত আমাদের অন্তর।

 শৃঙ্খলা এবং বিশৃঙ্খলার দ্বন্দ এখনও কিছুটা ইতিহাসের খাতায় লিখিত হয়। বাকিটুকুতে তৈরী হয় অলিখিত আমাদের অন্তর।


আমরা যা কিছুই শিখি সেটা ইতিহাস থেকে নেয়া হলেও প্রকৃত শিক্ষা হয় একেক জনের জন্য একেক রকম। কারন ধারনা করা যায় যে শান্তি ও শৃঙ্খলার পক্ষে থাকা মানুষ ও বিপক্ষে অবস্থান বিশৃঙ্খল এই প্রধান দুইটি পক্ষের মধ্যেই আসলে যুদ্ধ হয়। মাঝখানে মারা যায় হতাশ মানুষ, অযথাই।


জাতীতে জাতীতে প্রথম যেভাবে পরিচয় হত অতীতে সাগর হতে আগত বণীক অথবা আক্রমনকারী তারা যারাই হোক পরিচয়ের শুরুতে কোনই বিশ্বাস কিংবা আস্থার কাহীনি ছিলো না। তা হতে পারে না কারন প্রতিবন্ধকতাগুলি ছিলো অনেক। হয়তো বিদ্বেষ, ভয়ের চেয়েও কৌতুহলই ছিলো বেশী তখন। তাই কাছাকাছি এলেও এই যে আসার কাব্য সেটাও মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি।অথবা প্রসার করেছিলো বিনিময় বা বানিজ্যিক ধারনা। মানব জাতীর একাংশের এভাবে যুদ্ধ ছাড়াই কাছাকাছি এসে অন্য অপরাপর অংশের সঙ্গে বসবাস শুরুর আগেই অবিশ্বাস বা বিশ্বাসের দ্বন্দ নিবারন ও ছন্দের তৈরী করার প্রয়োজন হয়। মানুষ অন্য মানুষকে বিশ্বাস করতো না এবং কিছুসংখ্যক মানুষ নিজের ইচ্ছা ও মর্জী মাফিক অন্যকে বাধ্য করেও মজা পেত। অথবা এইসব উপায় অবলম্বন করে অপেক্ষাকৃত চতুর পক্ষ তখন নিজেদের প্রাচিন বিশ্বাসকে ও শক্তিকেও পরখ করে নিতে পারতো। 


দাস প্রথার সূচনালগ্নে মানুষ অন্য জাতের মানুষের শারীরিক দক্ষতাকে সম্পূর্ন আয়ত্বে আনার উদ্দেশ্যে তাদের নৈতীকতার জাগরনের জন্য অপেক্ষা করতো। যতদিন না মানুষ হিসাবে তাদের পরিশ্রমী কন্ঠে নৈতিকতার ভাষা না ফুটতো ততক্ষন পর্যন্ত জাত হিসাবে তাদের মনুষ্যত্বকে বিশ্বাস করার কোনই কারন ছিলো না। শুধুই দাস হিসাবেই যতটুকু দায়িত্ব তাদেরকে হস্তান্তরিত করা যেত সেটাই হয়ে যেতে থাকে বিশ্বাস ও বিশ্বাসের পক্ষের ভাষার মাপকাঠি। হয়ে যেতে থাকে নয়া নয়া ভব্যতার অংশবিশেষ।কেননা কেবলমাত্র বুদ্ধির প্রাধান্য দিয়েই যদি দাসপ্রথার পক্ষে সাফাই গাওয়া যেত তাহলে তো এতদিন কোন কথাই থাকতো না। মূলতঃ সত্য হল এক প্রকারের দূর্বলচিত্ত মানুষের হাতে অন্য মানুষদের জীবনের নিরাপত্তার ভার দেয়া যায় না।আগে দিতে হয় তাদের তদরকির ভার।প্রাথমিক একটি চামড়ার তৈরী আবরন এবং খাদ্যের বাইরে মানুষের আরো যেসব প্রয়োজনীয়তা থাকে যেমন সুখ শান্তির প্রত্যাশা ইত্যাদি ইত্যাদি এটা এদের প্রভূত্বের দাপুটেপনার কাছে পাওয়ার ইচ্ছা করাই বাতুলতা।কারনটা আর কিছুই না শুধু ইতিহাস যখন একদিন আবারও ঘুরে ঘুরে আসবে তখনই তো এদেরও পরিচয় হয়তো প্রকাশ হবে।পর্যবেক্ষন করলে এই সভ্য যুগে আজও হয়তো আমি আপনি এবং হয়তোবা আরও অনেকেই এখনও তাদের ঐ বিভৎস দাস-কৃতদাস বানিজ্যের সাম্রাজ্যের পরিনতির বাইরের কেউ নই। এটাই সিফীলিস রোগ হবে। অথবা হবে বিশাল রাজ্যের দিগ্বিদিক জ্ঞানশুন্যতার কিছু খবরাখবর তথা সুখবরগুলি।


ডাইনোসররা মেসোজয়িক মহাকালে বাস করত। এই যুগটি ট্রায়াসিক, জুরাসিক এবং ক্রিটেসিয়াস এই তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত ছিল। ডাইনোসরদের যুগ (মেসোজয়িক যুগ) তিনটি ভূতাত্ত্বিক সময়কাল নিয়ে গঠিত: 

ট্রায়াসিক যুগ (২৫১.৯ থেকে ১৯৯.৬ মিলিয়ন বছর আগে)

জুরাসিক যুগ (১৯৯.৬ থেকে ১৪৫.৫ মিলিয়ন বছর আগে)

ক্রিটেশিয়াস যুগ (১৪৫.৫ থেকে ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে)

ক্রিটেশিয়াস যুগের ডাইনোসরের তুলনায়ও আমাদের মানুষদের সভ্যতার উম্মেষ যুগের কাহীনি এই সামান্য কয়েকদিনের মাত্র। কিন্তু এই সামান্যতম সময়ের ইতিহাসে আমরা কি দেখেছি। প্রারম্ভেই দুইটি বড় ঘটনার মোকাবেলা করতে দেখেছি জাতীগুলোকে। একটি হল প্লেগ বা ব্ল্যাক ডেথ অন্যটি সিফীলিস। ব্ল্যাক ডেথের কারনে জনসংখ্যা ইউরোপ মহাদেশে অর্ধেকে নেমে যায় বিশেষ করে ১৪ শতকের "ব্ল্যাক ডেথ" বা "কালো মৃত্যু"র কারণে ইউরোপের জনসংখ্যা প্রায় ৩০-৫০% কমে গিয়েছিল। কোনো কোনো অঞ্চলে এই হার আরও বেশি ছিল, যেমন লন্ডনে কয়েক বছরের মধ্যে ৭৫ থেকে ২০ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল। আমেরিকা আবিস্কারের আগে সিফীলিসের ক্ষতিকর প্রভাব তেমন করে জানা যেত না। এটা ছিলো অনেকটাই অজানা নীরব ঘাতকের মত।প্রথম মহামারীর শিকার হয় আদিবাসী রেডইন্ডিয়ানরা। লুই পাস্তুরের জীবানু আবিস্কারের আগে বহু মৃত্যুর কারন ছিলো বসন্ত বা পক্স রোগ।


পূর্বদিগের ম্যাজাইগনের বা সন্যাসীদের ভবিষৎবানী যীশুর আগমনবার্তা পূর্বাহ্নে দিয়েছে এই তথ্যের প্রমান নাই। মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। কারন মহাজাগতিক ঘটনার সাদৃশ্যে যেমন তারকার ঔজ্জল্য বা খসে পড়া ইত্যাদি দ্বারা কোন কিছুর বানোয়াট সাদৃশ্য তৈরী করার সম্ভাবনাই কেবল মাথায় আসে। এযুগে বসেও আমরা অনেকেই নিজের মাথায় বাড়ি খেয়ে খেয়ে চৈতন্য আসলেই না পরে তখন এমনতর সাদৃশ্যের কিছু প্রমান পাচ্ছি অন্যথায় নয়। ব্রহ্মার নিদর্শন তথা উজ্জল তারকাখন্ডের উদ্ধৃতি দিয়ে এসব বানোয়াট উসীলা তৈরী করা হয় এভাবে যেমন করে মাথার দিব্যি দিয়ে বানোয়াট কিছু গল্পও তৈরী করা যায়। এসব উম্মাদনা আসলে মিথ্যার প্রশস্তিকারী শক্তি এবং অথবা অশান্তি ও বিশৃঙ্খলার মাপকাঠি তৈরীর কার্যকারন পর্যবেক্ষন ও তাদের শ্রেনীগত উদ্দেশ্য সাধন। তথা যেন কোন মৃত্যুদূত ও মলম পার্টি। একনিষ্ঠ শান্তির প্রত্যাশা এবং নিরবিচ্ছিন্ন শৃঙ্খলার পক্ষে কোন বিশ্বাসী জাতীর উথ্বান কখনোই হয় নাই।সব জাতীই দূর্বলের উপর নির্যাতন নিপীড়নের যে খড়গ চাপিয়ে গেছে অতীতে তার অধিকাংশই ধর্মীয় উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ছিলো তাদের কোনটাই আদতে শান্তির পক্ষে ছিলো না ফলাফল সাধারন মানুষের মৃত্যুর মিছিল। আজতক কোন স্রস্টার এমন দূত আসেন নাই পৃথিবীতে শান্তির একজন একচ্ছত্র বিশ্বাসের বাণী হয়ে না হয়েছেন কোন একজনের কিছুটা পক্ষপাতমূলক ভাষা হয়ে। এ সবই আমাদেরই বানোয়াট চর্চায় তৈরী স্রস্টা বিশ্বাসের মূলে যাদের সীমাবদ্ধতাগুলো যখন তাদের দক্ষতাকেও ছাপিয়ে যায় তখনই বারংবার তাদের এসব বানোয়াট উদ্ধৃতির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তবে পুরোটাই উদ্দেশ্যমূলক হয়তো নয়। 


কিন্তু প্রশ্নটা হল এই বিপুল ও পরাক্রম শক্তি হয়েও শুধু একজন উপযুক্ত প্রতিদ্বন্দীর অভাবে কোথায়ইবা হারিয়ে যেতে বসেছিল মহাকালের তুলনায় সামান্য সময়ের সভ্যতার এইসব ক্ষুদ্রতম বানোয়াট ঘটনাবলী।সেটাই খুঁজে দেখার বিষয়।তাদের এই যে হারিয়ে না যাওয়ার ভূমিকার পেছনে কি ছিলো। ঈশ্বরের কোন হাত তাতে আদৌ ছিলো কিনা এখন জানা যাচ্ছে না। অথবা মনে হবে কি কারু যে কোন বিকৃত মস্তিস্ক আর উম্মাদ একত্রে মিশে গিয়ে প্রথমেই শিশুর মূত্র (মূত্রথলি নয় কিন্তু)ত্যাগ হল। পরে রথযাত্রা দেখা আর কলা বেচেও প্রভূত জ্ঞানেরও বিকাশ হল। অবশেষে এখানে আসিয়া (৮০ দিনে বিশ্ব ভ্রমন হল)আমাদের ভবিতব্য একক বিশাল ভাবে দাঁড়াইয়াও পড়িয়াছে এমনই কি ছিলো সেকেলে ধর্ম উপাদানের মূলমন্ত্র!! কিন্তু ধর্মের মূলে ঈশ্বর বা অন্য যাই হোক না কেন এর মানেটা আসলে কি? ঈশ্বর নাকি শয়তান? অথবা বয়ঃবৃদ্ধ কিছু মানুষ।।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে

  কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু'' কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে। হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন ...

মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক হোক অথবা প্রতিবন্ধী শুধুমাত্র রাজনৈতীক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একজন ব্যাক্তির মুক্তির একমাত্র পথ হতে পারে না। সচেতনতার মধ্যেও সুপ্ত থাকে সন্দেহের বিষ

জনগনের মধ্যে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ বাসা বাঁধলে তখন গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায়ও তার একটি আভাস থাকবে অথবা প্রভাব পড়তে পারে পররাস্ট্রনীতিতেও।তাই দ্বিতীয় শ্রেনীর রাজনীতি হতে মুক্তি তথা একটি সন্দেহমুক্ত ও একটি চাহিদামাফিক ও অংশগ্রহনমূলক গনতন্ত্রের জন্য দ্বার উম্মোচন তথা রাজনীতির বাইরের পৃথক কিছু কম্যুনিকেশান সেল থাকা উচিত।এইসব কম্যুনিকেশান সেলের পৃথক সাইনবোর্ড থাকাও জরুরী যাতে করে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে দেরী না হয়। জনগন যদি কোন সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততা দেখায় তখন সেটা ব্যাপকভাবে রাজনৈতীক ব্যার্থতার নিদর্শন হয়ে যাবে এবং গনতন্ত্রচর্চা মসৃন পথে না গিয়ে নানামুখী টানাপড়েনে পড়তে পারে ও বৈদেশীক হস্তক্ষেপ তখন অবধারিত হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি হওয়ার আগেই সামাল দেয়ার জন্য কম্যুনিকেশন সেলগুলির ভুমিকা মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের গ্রহনযোগ্যতায় আরো সহজলভ্য করাও জরুরী। Facts, in other words, do not speak for themselves. They require interpretation, prioritization, and contextualization—all of which are influenced by the historian’s philosophical orientation, cultural bac...

মানুষের কল্পনাশক্তি অতিমাত্রায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলেই সেটা অতিন্দ্রীয়তা হয়ে যায় না।

 বাস্তব উপলব্ধীর মধ্যেও পক্ষাবলম্বন থাকবেই। কিন্তু এর পরেও পক্ষে বা বিপক্ষে থাকার একটি মধ্যবর্তী অবস্থা বিরাজ করতে পারে। যখন প্রকৃত অর্থেই কোনপ্রকার দশাসই মধ্যবর্তীতার অনুপস্থিতি সমাজ সংস্কৃতিতে প্রকট আকার নেয় তখন দর্শকরাও বসে না থেকে পক্ষাবলম্বন করে ফেলতে পারে। অথবা দেশ ও দশের শান্তি শৃঙ্গ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরী হলে তখন এইধরনের পক্ষ নেওয়া আরও সুস্পস্ট হয়ে পড়ে। এবং অবধারীত ভাবে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করে। মানুষের কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য থাকেই যদিও কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তি এর একটি অপরটির পরিপূরক। কল্পনাশক্তি ব্যাক্তির কাজে লাগবেই কারন এর মাত্রা একটুখানি বিস্তৃত।যাত্রাপথটিও প্রসারিত হয়। পথ চলতে গেলেই কল্পনাশক্তির প্রয়োজন হবে। তা না হলে তো খানাখন্দে পড়তে হয়। কিন্তু ধীশক্তি হচ্ছে আলাদা জিনিষ। এটা সাধারনতঃ ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ব্যাবহরিত হয় কিংবা হচ্ছে। এবং সামাজিক চালচিত্রে তার কিছু না কিছু সুস্পস্ট চিহ্ন বর্তমান থাকবে।এটা সামাজিক স্থিতিশীলতার বাহক। অথবা সমাজ সংসার ঘিরে থাকা সকল সভ্য আচার আচরনে এসব ধীমানদের ক্রিয়াকলাপ প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। এটা গনমানু...