সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Pages

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বর্তমান বিশ্বে ধর্ম বিশ্বাসের গতিবিধি কেমন করে জীবনকে প্রভাবিত করছে

 বর্তমান বিশ্বে ধর্ম বিশ্বাসের গতিবিধি কেমন করে জীবনকে প্রভাবিত করছে বা অন্যকথায় বললে যেভাবে বিশ্বাসের প্রথাগত অগ্রগতি হচ্ছে পার্থীব উন্নয়ন ধারনা গ্রহীতা এইসব বিভিন্ন সমাজ বাস্তবতায়। আমরা যে পদ্ধতিতে বিশ্বাসকে ধারন করতে চেস্টা করি তা হল অনুভব এবং বিশ্বাসের এক বা একাধিক সামন্তরিক অগ্রগতি।কিন্তু যেটা দুঃখজনক সেটা হচ্ছে এই অবস্থা হল সেই অবস্থা যখন ব্যাক্তির সরাসরি উপস্থিতিকে অস্বীকার করা হয় বা মানব অস্তিত্বকেই প্রকারান্তরে অস্বীকার করা হয়ে থাকে।যেন মানুষের চৈতন্য লাভের পরে এটাই ঈশ্বরের চোখ এবং যেন এটাই হচ্ছে চেতনার দৃস্টিভঙ্গী। অতঃপর কোন কোন ব্যাক্তির ক্ষমতাকে মানুষের চাহিদার মধ্যে বিতরন এবং রূপায়ন করা।এই উপলক্ষে ধর্মকে আরও প্রনবন্ত করতে অনেকগুলি পদক্ষেপ নেয়া হয় ও প্রকল্প প্রনয়ন করা হয়। আর বিশ্বাসকে চাহিদার সমান্তরালে রাখলে পরে তখন মানুষের সক্ষমতা পূর্বের চেয়েও আরো বেড়ে যায় তাই তখন উন্নয়নের গতিবধিও সুনিশ্চিত হয়।সরকারকেও এসব অবহিত করা।বিশ্বাস পূর্ববর্তী সক্ষমতার এসব কথা মাথায় রেখে মানুষের বিশ্বাসের ব্যাপ্তিটুকু বাড়ালে তখন উন্নয়নের ভাষার মধ্যেই পাওয়া যাবে বহুমূখী মনের বিশ্বাসের একটি সার...

অলিখিত আমাদের অন্তর।

  শৃঙ্খলা এবং বিশৃঙ্খলার দ্বন্দ এখনও কিছুটা ইতিহাসের খাতায় লিখিত হয়। বাকিটুকুতে তৈরী হয় অলিখিত আমাদের অন্তর। আমরা যা কিছুই শিখি সেটা ইতিহাস থেকে নেয়া হলেও প্রকৃত শিক্ষা হয় একেক জনের জন্য একেক রকম। কারন ধারনা করা যায় যে শান্তি ও শৃঙ্খলার পক্ষে থাকা মানুষ ও বিপক্ষে অবস্থান বিশৃঙ্খল এই প্রধান দুইটি পক্ষের মধ্যেই আসলে যুদ্ধ হয়। মাঝখানে মারা যায় হতাশ মানুষ, অযথাই। জাতীতে জাতীতে প্রথম যেভাবে পরিচয় হত অতীতে সাগর হতে আগত বণীক অথবা আক্রমনকারী তারা যারাই হোক পরিচয়ের শুরুতে কোনই বিশ্বাস কিংবা আস্থার কাহীনি ছিলো না। তা হতে পারে না কারন প্রতিবন্ধকতাগুলি ছিলো অনেক। হয়তো বিদ্বেষ, ভয়ের চেয়েও কৌতুহলই ছিলো বেশী তখন। তাই কাছাকাছি এলেও এই যে আসার কাব্য সেটাও মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি।অথবা প্রসার করেছিলো বিনিময় বা বানিজ্যিক ধারনা। মানব জাতীর একাংশের এভাবে যুদ্ধ ছাড়াই কাছাকাছি এসে অন্য অপরাপর অংশের সঙ্গে বসবাস শুরুর আগেই অবিশ্বাস বা বিশ্বাসের দ্বন্দ নিবারন ও ছন্দের তৈরী করার প্রয়োজন হয়। মানুষ অন্য মানুষকে বিশ্বাস করতো না এবং কিছুসংখ্যক মানুষ নিজের ইচ্ছা ও মর্জী মাফিক অন্যকে বাধ্য করেও মজা পেত। অথবা এইসব উ...

কি নিয়েছি এবং কি দিলাম এই চিন্তা করার সক্ষমতাই হচ্ছে একটি সমাজের সুস্থতা

  কি নিয়েছি এবং কি দিলাম এই চিন্তা করার সক্ষমতাই হচ্ছে একটি সমাজের সুস্থতা। কি নিয়েছি এবং কি দিলাম এই চিন্তা করার সক্ষমতাই হচ্ছে একটি সমাজের সর্বজনীন সুস্থতার মাপকাঠি। সুস্থভাবে নিত্যদিনের লেনদেন মনে রাখার সক্ষমতাই হল সমাজের শক্তিশালী গাঠনিক ভিত্তিমূল্য।এভাবেই সমাজের পারস্পরিক নির্ভরতার চিত্রটিও ফুটে উঠে। কারণ সমাজ গড়ে ওঠে লেনদেনের ভিত্তিতে। এটাই পরে বিশ্বাসের ভিত্তিমূল তৈরি করে। বিশ্বাস, এটা হচ্ছে যে কোন কিছুরই স্থিতিশীল থাকার মূল শর্ত এবং ভিত্তিমূল। যদি ভিত্তি শক্ত না হয় তাহলে যেটাই গড়ে উঠুক না কেন সেটা বেশিদিন টিকে থাকে না। তাই জিনিসটাকে এভাবেও দেখা যায়। যে পুরো সমাজ কাঠামোটা কিসের ভিত্তিতে কাজ করে? কোন কোন শর্তের উপর নির্ভর করে থাকে সামাজিক ভারসাম্য? যে কোনো সমাজের গতিবিধি বুঝতে হলে এই প্রশ্নের উত্তর জানার বিকল্প নাই। সমাজের স্থিতিশীলতার উপাদানগুলি কি কি এই আলোচ্যসূচীর প্রারম্ভে প্রথমেই ধরে নেয়া যাক যে অর্থনীতির কাছেই সবমানুষের কিছু না কিছু দায়বদ্ধতা থাকবে। আর কি সেই দায়দায়িত্ব? দায়বদ্ধতা বাদেও আরো কিছুটা দায়দায়িত্বও থাকে হয়তো। সেগুলো হচ্ছে পরের কথা। অর্থাৎ কার কতটু...