সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কাউকে উদ্দেশ্য করে হোক অথবা কোন না উদ্দেশ্য নিয়েই হোক অথবা উদ্দেশ্যমূলক কিছু নেগেটিভ মানসিকতায় হলেও তাদের এই ক্ষমতা মনে হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য।

 হুম্! ব্যাপারটা যেন কিরকম মনে হচ্ছে–এটা বোঝানো মুশকিল।কিন্তু আমিও সেটা জানতে পেরেছি এখন-- দেরীতে হলেও জেনেছি!


হুম্ ব্যাপারটা যেন কিরকম মনে হচ্ছে–এটা বোঝানো মুশকিল।কিন্তু আমিও সেটা জানতে পেরেছি-- দেরীতে হলেও জেনেছি। কিন্তু অবশেষে আমি যে জানতে পেরেছি এটাই সত্য।যে ব্যাপারটি গুরুত্বহীন হয়ে আকাশে বাতাসে এতদিন ভাসছে তা এখন আব্রুহীন।হতেও পারে যে কেবল আমারই জানা বাকি ছিলো।সেটা আলোচনা সাপেক্ষ বিষয়। 

শুধুই আমার জানা ও না জানার মধ্যে এই যে গুরুত্বহীন, চিন্তাহীন ও ভাবনাহীন অংশটুকু এতদিন নির্লিপ্ত অবস্থানে গা ঢাকা দিতে পারতো নিশ্চিন্তে সেই সময়টা এখন সচেতন ও জাগ্রত সময়। এ বিষয়ে অনেকেই বলতে পারে যদি কেউ দ্বায়িত্বহীন বোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে কিছুনা কিছু বলে, অথবা তার বহুদিনের না বলা কথাগুলিও বলতে পারে সে এখন, কিছুটা নিশ্চয়তার অন্তরালে থেকে। 


এই যে এভাবে বলতে পারার যে নিশ্চয়তাটি তৈরী হল এটা তবে কোথা থেকে ও কেমন করে হল-- কিভাবে এবং কাদের কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পাচ্ছে মানুষ? তবে আসলে ব্যাপারটা যা হল এই যে আমি এটা জানতে পারলাম কিন্তু তবুও যেটুকু অর্থহীনতা তবুও রয়েই গেছে নেপথ্যে সেইসব অর্থহীনতার মধ্যেও কাদের কাদের মনে কিছু নিশ্চয়তার সঞ্চার হতে পারে? আর তাদের এইভাবে নিশ্চিত হবার কারনগুলি কি বা তাদের এইরূপ দৃস্টিভঙ্গির কারনই বা কি কি হতে পারে? 


জানতে পারা; জেনে যাওয়া এবং অতঃপর আরও জানতে চাওয়া– এগুলো সব হল বুদ্ধিবৃত্তিক মাপকাঠিতে একই সমান্তরাল প্রকৃয়া। তাই বলেই কি এরাও একটি মঞ্চে সবাই একত্রে ও একই সাথে সবাই এগিয়ে চলেছে? কেননা এই যে আমার জানা না জানার এই হিসাব তার পরেও রয়েছে সামগ্রিক ভাবে আমাদেরও এতসবকিছু জানতে পারার সে ই গুরুত্বপূর্ন প্রসঙ্গটি।পরবর্তীতে এ ভাবনাও অবধারিত ভাবে আসবে। তাই সেটাও মনুষ্য আলোচনায় ও পর্যালোচনায় ঠাঁই করে নিবে। সময়টা এখানে শুধুই কিছু উপলক্ষ্য।এখানে সময় যেসব উপলক্ষগুলি ধারন করছে বা বলা যায় যে উপলক্ষ্যগুলি সেটা হচ্ছে হয়তোবা কোন ব্যাবসার জন্য উপলক্ষ্য অথবা আরো জ্ঞানর্জনের উপলক্ষ্য অথবা শ্রেফ অজানা অন্যকিছু হবে যেটা এখনও আমাদের জানা নাই এমন কছু।কিন্তু যেটা এখনকার পরিবর্তন অর্থাৎ যেটা তাৎক্ষনিক পরিবর্তন--- সেটা হচ্ছে এইরূপ যে, এখানে সবাই এখন বলতে পারে এবং একপ্রকার বলতে গেলে বিনা বাধায়ই সবাই বলতে পারবে।কাউকে উদ্দেশ্য করে হোক অথবা কোন না উদ্দেশ্য নিয়েই হোক অথবা উদ্দেশ্যমূলক কিছু নেগেটিভ মানসিকতায় হলেও তাদের এই নব্য ক্ষমতা মনে হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে

  কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু'' কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে। হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন ...

মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক হোক অথবা প্রতিবন্ধী শুধুমাত্র রাজনৈতীক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একজন ব্যাক্তির মুক্তির একমাত্র পথ হতে পারে না। সচেতনতার মধ্যেও সুপ্ত থাকে সন্দেহের বিষ

জনগনের মধ্যে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ বাসা বাঁধলে তখন গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায়ও তার একটি আভাস থাকবে অথবা প্রভাব পড়তে পারে পররাস্ট্রনীতিতেও।তাই দ্বিতীয় শ্রেনীর রাজনীতি হতে মুক্তি তথা একটি সন্দেহমুক্ত ও একটি চাহিদামাফিক ও অংশগ্রহনমূলক গনতন্ত্রের জন্য দ্বার উম্মোচন তথা রাজনীতির বাইরের পৃথক কিছু কম্যুনিকেশান সেল থাকা উচিত।এইসব কম্যুনিকেশান সেলের পৃথক সাইনবোর্ড থাকাও জরুরী যাতে করে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে দেরী না হয়। জনগন যদি কোন সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততা দেখায় তখন সেটা ব্যাপকভাবে রাজনৈতীক ব্যার্থতার নিদর্শন হয়ে যাবে এবং গনতন্ত্রচর্চা মসৃন পথে না গিয়ে নানামুখী টানাপড়েনে পড়তে পারে ও বৈদেশীক হস্তক্ষেপ তখন অবধারিত হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি হওয়ার আগেই সামাল দেয়ার জন্য কম্যুনিকেশন সেলগুলির ভুমিকা মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের গ্রহনযোগ্যতায় আরো সহজলভ্য করাও জরুরী। Facts, in other words, do not speak for themselves. They require interpretation, prioritization, and contextualization—all of which are influenced by the historian’s philosophical orientation, cultural bac...

মানুষের কল্পনাশক্তি অতিমাত্রায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলেই সেটা অতিন্দ্রীয়তা হয়ে যায় না।

 বাস্তব উপলব্ধীর মধ্যেও পক্ষাবলম্বন থাকবেই। কিন্তু এর পরেও পক্ষে বা বিপক্ষে থাকার একটি মধ্যবর্তী অবস্থা বিরাজ করতে পারে। যখন প্রকৃত অর্থেই কোনপ্রকার দশাসই মধ্যবর্তীতার অনুপস্থিতি সমাজ সংস্কৃতিতে প্রকট আকার নেয় তখন দর্শকরাও বসে না থেকে পক্ষাবলম্বন করে ফেলতে পারে। অথবা দেশ ও দশের শান্তি শৃঙ্গ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরী হলে তখন এইধরনের পক্ষ নেওয়া আরও সুস্পস্ট হয়ে পড়ে। এবং অবধারীত ভাবে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করে। মানুষের কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য থাকেই যদিও কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তি এর একটি অপরটির পরিপূরক। কল্পনাশক্তি ব্যাক্তির কাজে লাগবেই কারন এর মাত্রা একটুখানি বিস্তৃত।যাত্রাপথটিও প্রসারিত হয়। পথ চলতে গেলেই কল্পনাশক্তির প্রয়োজন হবে। তা না হলে তো খানাখন্দে পড়তে হয়। কিন্তু ধীশক্তি হচ্ছে আলাদা জিনিষ। এটা সাধারনতঃ ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ব্যাবহরিত হয় কিংবা হচ্ছে। এবং সামাজিক চালচিত্রে তার কিছু না কিছু সুস্পস্ট চিহ্ন বর্তমান থাকবে।এটা সামাজিক স্থিতিশীলতার বাহক। অথবা সমাজ সংসার ঘিরে থাকা সকল সভ্য আচার আচরনে এসব ধীমানদের ক্রিয়াকলাপ প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। এটা গনমানু...