সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ধর্ম শহরের ধারনায় সৃস্টি বা এই প্রেক্ষিতকে ঘিরে পরবর্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

 অধিকাংশ মানুষ যখন শান্তি প্রত্যাশী হয় তখনই একটি অভূতপুর্ব পরিবর্তন ঘটে চলে। শহর নগর এবং বন্দরগুলি সমৃদ্ধশালী হতে শুরু করে।যেহেতু পরিবর্তনের কথা হচ্ছে তাই এটা ভাল হোক মন্দ হোক সেটা কোন বিবেচনা নয় বরং পরিবর্তনটা কতটা প্রকাশ্য আর কতটুকু আন্ডারগ্রউন্ড কর্মকান্ড দ্বারা বিকশিত হচ্ছে তার ধারনাই আসল।প্রধান স্টেকহোল্ডার জনগন ছাড়াও আরও অংশিদ্বারও পরিবর্তনকে ঘিরে তাদের কার্যক্রম সাজায়। কর্মসূচী দেয়। এবং ব্যাবসা বানিজ্যের মধ্য দিয়ে এটা কিছুটা টেকসই হলে পরে তখন একটি ভবিষৎ দর্শনের অবশ্যম্ভাবী অংশ হয়ে যায়।এই পর্যায়ে এসে ধারাবাহিকতা নানামুখি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে দেখা যায়। পরোক্ষ স্টেকহোল্ডরদেরকে ষড়যন্ত্র করতে উদ্বুদ্ধ করে নানাধরনের ব্যাবসায়িক উদ্যেশ্য। অবশ্য এসবের পেছনে যে ধর্মের আঁচল ঘেষা মানুষদের জন্য শুধু একটি সুন্দর ভবিষৎ এর প্রত্যাশা থাকে এবং ছিল তা বেমালুম ভুলে যাওয়া হত। 

 কেবল এটাই শুধু নয়। হয়তো অতীত থেকে বিদ্যমান অনেক পরিকল্পিত বাস্তবায়ন ও বিবিধ সমস্যার সাময়ীক সকল সমাধান নিয়ে যখন রাজনৈতীক অঙ্গন এগিয়ে এসেছে, মানুষের জাগরুক এসব প্রত্যাশা ও শহর নির্মানের প্রাচীন শৈলীর মাঝে একটি সেতুবন্ধন হিসাবে কাজ করেছিলো সেটাকেও অন্তর্ভুক্ত। অথবা চলমান যুদ্ধবিগ্রহের মধ্যেও হয়তো কোন বিশেষ শ্রেনীর মস্তিষ্ক প্রসূত উন্নয়ন ধারনাকে মানুষের সামনে সহজবোধ্য করার প্রয়াস সহকারে জারীকৃত অন্যান্য প্রকৃয়াগুলিও একইসঙ্গে এভাবেই সচল ছিলো। ঠিক যেন এইরকম যে অতীতের দুইটি প্রধান বাস্তবতার নীরিখে ভবিষৎতের জানা অজানা দুইপ্রকার অনাগত বাস্তবকে একত্রে টেবিলে রেখে কেউ যেন একই সমান্তরালে চলমান পরাবাস্তব এই দুইয়ের সঙ্গে দুইয়ে মিলিয়ে চার অথবা হয়তো শুধু কিছুটা অনুমান করে নিয়ে তাদের পরবর্তি প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বিধান করেছিলো।

কারন শহরগুলি শুধুই যদি ক্রীতদাসদের দ্বারা হাসিল করা হয়েছে-- এমন একটি ধারনা করা হলে পরে এখন প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতাকেই অবমাননা করা হবে। সেটাতো বেশ চিন্তার বিষয়। কারন সিটিজেনরা বড় শহরের ধারনার মধ্যেই জন্মগ্রহন করে বলে আমরা পম্পেই নগর সভ্যতাসহ অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস থেকে জেনেছি। তারপর রয়েছে পাগলামি। সামাজিক জীবনের ভেতরেও অনেক সংখ্যক সামাজিক পাগলের উচ্চাভিলাষ সুপ্ত থাকতে পারে। এসব উচ্চাভীলাষিদের কর্মকান্ড এখনও বিভিন্ন যুগের ধর্মীয় তথা উন্নয়ন বাস্তবতাকেও ধারন করে চলেছে। ''The History of Madness'' বইটি পড়লেও সব বিষয়গুলি এযুগে বিবিধ অভিযোজনের কারনে সহজে ধরা যায় না। তাই বলে যে সামাজিক মাধ্যমকে ব্যাবহার করতে সক্ষম হয় এমনই প্রাকৃতিক সামাজিক এইসব পাগলরাও সমাজের প্রগতীর জন্য উপযোগী হবে এটাও মেনে নেয়া যায় না।গঠনমূলক মনে হলেও সমাজের সব প্রচলিত গল্পের উদ্যেশ্য সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়ার উপায় তো নাই। এটা এমনই অসম্ভব যেমন রাত্রি প্রহরে সঙ্গীতচর্চায় মনোনিবেশ এবং উচ্চস্বরের অট্টহাসি দিয়ে পড়শীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানো। এসব কখনোই কোন পাগলা গারদের পাগলের কাজ না। এসব কূকর্ম আসলে সামাজিক পাগলামীর অংশ।

ভালো সভ্যতার বিকাশ সম্ভবপর হবে তখন যখন কিনা একটি সুস্পস্ট রুপরেখার ভিতর দিয়ে প্রথমেই শহরের মানুষের প্রাথমীক অর্থনৈতীক চাহিদাকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য দিয়ে পরে শহরমুখী নতুন নতুন মানুষদের বিকাশের জন্যও নানা ধরনের অর্থনৈতীক প্রনোদনা গুলী প্রস্তুত করা হবে। "দেশে বিদেশে'' বর্তমান সময়ে যে সমস্ত বৈষম্য নিত্যদিন উপলব্ধ হচ্ছে তার কারন হচ্ছে সামাজিক এসমস্ত পাগলদের নাগরীক ছদ্দবেশ আর অপরিকল্পিত পাগলামী ও এদের সাথে তাল মিলিয়ে একইসঙ্গে চলমান অন্যান্য সকল মানবতাবিরোধী কর্মকান্ড। এই দুই চক্র মিলে ভবিষৎ নগর বিনির্মানে অসহযোগীতা এবং বহুমুখী শহরের বিকাশের ব্যাপারে এদের সকল ভূমিকা দেখে শুনে এটাকে এক প্রকার অনধিকার চর্চা মনে হয়, এখন যা নগর বন্দর প্রায় প্রত্যেক অঞ্চলেই দেখা যায়।একটি শহর তো আর পাগলদের কারখানা বা লুজ কন্ট্রোলারদের আশ্রয়স্থল পারে পারে না।

ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে প্রস্তুত হওয়া পরিবেশ পরিকল্পনা একটি বাড়তি চিন্তাভাবনার ব্যাপার বলে হয়ত অনেকের কাছে এখন মনে হতেও পারে। কিন্তু শহরের নিয়ন্ত্রনে কেউ না থাকলে পরে একটা না একটা লুজ কন্ট্রোল ঘটিত ভায়োলেশান যানবাহন তথা এইসব পরিবহন কিংবা পরিবারে হয়তোবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও পরে দৃশ্যমান হয়ে পড়বে। একদিন না একদিন সত্যই প্রকাশ হবে।

শহুরে জীবন যাপনের ধারনা যদি একটি প্যানাসিয়া হয় সেটা হবে পৃথীবির অধিবাসিদের জন্য খুবই দূর্ভাগ্যের।শহরকেন্দ্রিক মন ইউনিক ও চিন্তাশীল হবে এবং এটা অবশ্যই ইউহুনানী নাগরীকদের সুযোগের দিকেও লক্ষ রাখবে ও সুবিধাভোগের উপলক্ষ ঘিরে তৈরী হতে হবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে

  কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোকঃ ''কাইট্যা ছিল্যা লবন লাগাইয়া দিমু'' কিছু রোবট আমদানী করা বাধ্যতামুলক করা হোক। যেগুলো কোন কারন ছাড়াই ঢাকার রাস্তা ঘাট চষে বেড়াবে।''ফ্রী উইলের'' এসব রোবট দেখতে দেখতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেলে পরে তার ফলে অন্তত আমাদের শিশুগুলি সভ্যতা ও ভব্যতা শিখবে।এবং তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে রোবট গুলিই ভবিষৎতে তাদের কাজকর্ম করে দিবে; মানুষের অফিস আদালতের কাজ ঘরের কাজ সবকিছুই তার যে ''রোবট আইডেন্টিটি'' আছে সে ই করে দিবে। তাই এগুলোকে যেন তারা ভাঙ্গচুর না করে ও ডিসমেন্টেল না করে ফেলে। হ্যাঁ। বাচ্চাদেরকে এডাপ্ট করতে হবে। অবশ্য সত্যিকারের সমাজ কেমন হতে পারে ভবিষৎতে সেটা এখনই বলা সম্ভব না। তবে এডাপ্টিবিলিটি দরকার আছে। সভ্যতার ধারনা ফিক্সড্ কিছু না। সভ্যতা হচ্ছে পরস্পরের সাথে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে লেনদেনের প্রাথমিক ধারনা। মনে হচ্ছে যে ভবিষৎতে সামাজিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলি প্রসারিত করার আগেই সোস্যাল মিডিয়াম গুলির গতিবিধি ট্র্যাক এবং পর্যবেক্ষন করা তথা সমাজের মধ্যে এডাপ্টিবিলি তৈরী করার জন্য খুবই দরকার হবে। এখনকার বৈষম্যপূর্ন ...

মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক হোক অথবা প্রতিবন্ধী শুধুমাত্র রাজনৈতীক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একজন ব্যাক্তির মুক্তির একমাত্র পথ হতে পারে না। সচেতনতার মধ্যেও সুপ্ত থাকে সন্দেহের বিষ

জনগনের মধ্যে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ বাসা বাঁধলে তখন গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায়ও তার একটি আভাস থাকবে অথবা প্রভাব পড়তে পারে পররাস্ট্রনীতিতেও।তাই দ্বিতীয় শ্রেনীর রাজনীতি হতে মুক্তি তথা একটি সন্দেহমুক্ত ও একটি চাহিদামাফিক ও অংশগ্রহনমূলক গনতন্ত্রের জন্য দ্বার উম্মোচন তথা রাজনীতির বাইরের পৃথক কিছু কম্যুনিকেশান সেল থাকা উচিত।এইসব কম্যুনিকেশান সেলের পৃথক সাইনবোর্ড থাকাও জরুরী যাতে করে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে দেরী না হয়। জনগন যদি কোন সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততা দেখায় তখন সেটা ব্যাপকভাবে রাজনৈতীক ব্যার্থতার নিদর্শন হয়ে যাবে এবং গনতন্ত্রচর্চা মসৃন পথে না গিয়ে নানামুখী টানাপড়েনে পড়তে পারে ও বৈদেশীক হস্তক্ষেপ তখন অবধারিত হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি হওয়ার আগেই সামাল দেয়ার জন্য কম্যুনিকেশন সেলগুলির ভুমিকা মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের গ্রহনযোগ্যতায় আরো সহজলভ্য করাও জরুরী। Facts, in other words, do not speak for themselves. They require interpretation, prioritization, and contextualization—all of which are influenced by the historian’s philosophical orientation, cultural bac...

মানুষের কল্পনাশক্তি অতিমাত্রায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলেই সেটা অতিন্দ্রীয়তা হয়ে যায় না।

 বাস্তব উপলব্ধীর মধ্যেও পক্ষাবলম্বন থাকবেই। কিন্তু এর পরেও পক্ষে বা বিপক্ষে থাকার একটি মধ্যবর্তী অবস্থা বিরাজ করতে পারে। যখন প্রকৃত অর্থেই কোনপ্রকার দশাসই মধ্যবর্তীতার অনুপস্থিতি সমাজ সংস্কৃতিতে প্রকট আকার নেয় তখন দর্শকরাও বসে না থেকে পক্ষাবলম্বন করে ফেলতে পারে। অথবা দেশ ও দশের শান্তি শৃঙ্গ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরী হলে তখন এইধরনের পক্ষ নেওয়া আরও সুস্পস্ট হয়ে পড়ে। এবং অবধারীত ভাবে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করে। মানুষের কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য থাকেই যদিও কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তি এর একটি অপরটির পরিপূরক। কল্পনাশক্তি ব্যাক্তির কাজে লাগবেই কারন এর মাত্রা একটুখানি বিস্তৃত।যাত্রাপথটিও প্রসারিত হয়। পথ চলতে গেলেই কল্পনাশক্তির প্রয়োজন হবে। তা না হলে তো খানাখন্দে পড়তে হয়। কিন্তু ধীশক্তি হচ্ছে আলাদা জিনিষ। এটা সাধারনতঃ ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ব্যাবহরিত হয় কিংবা হচ্ছে। এবং সামাজিক চালচিত্রে তার কিছু না কিছু সুস্পস্ট চিহ্ন বর্তমান থাকবে।এটা সামাজিক স্থিতিশীলতার বাহক। অথবা সমাজ সংসার ঘিরে থাকা সকল সভ্য আচার আচরনে এসব ধীমানদের ক্রিয়াকলাপ প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। এটা গনমানু...