সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মানুষের কল্পনাশক্তি অতিমাত্রায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলেই সেটা অতিন্দ্রীয়তা হয়ে যায় না।

 বাস্তব উপলব্ধীর মধ্যেও পক্ষাবলম্বন থাকবেই। কিন্তু এর পরেও পক্ষে বা বিপক্ষে থাকার একটি মধ্যবর্তী অবস্থা বিরাজ করতে পারে। যখন প্রকৃত অর্থেই কোনপ্রকার দশাসই মধ্যবর্তীতার অনুপস্থিতি সমাজ সংস্কৃতিতে প্রকট আকার নেয় তখন দর্শকরাও বসে না থেকে পক্ষাবলম্বন করে ফেলতে পারে। অথবা দেশ ও দশের শান্তি শৃঙ্গ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরী হলে তখন এইধরনের পক্ষ নেওয়া আরও সুস্পস্ট হয়ে পড়ে। এবং অবধারীত ভাবে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করে। মানুষের কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য থাকেই যদিও কল্পনাশক্তি এবং ধীশক্তি এর একটি অপরটির পরিপূরক। কল্পনাশক্তি ব্যাক্তির কাজে লাগবেই কারন এর মাত্রা একটুখানি বিস্তৃত।যাত্রাপথটিও প্রসারিত হয়। পথ চলতে গেলেই কল্পনাশক্তির প্রয়োজন হবে। তা না হলে তো খানাখন্দে পড়তে হয়। কিন্তু ধীশক্তি হচ্ছে আলাদা জিনিষ। এটা সাধারনতঃ ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ব্যাবহরিত হয় কিংবা হচ্ছে। এবং সামাজিক চালচিত্রে তার কিছু না কিছু সুস্পস্ট চিহ্ন বর্তমান থাকবে।এটা সামাজিক স্থিতিশীলতার বাহক। অথবা সমাজ সংসার ঘিরে থাকা সকল সভ্য আচার আচরনে এসব ধীমানদের ক্রিয়াকলাপ প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। এটা গনমানু...

ধর্ম শহরের ধারনায় সৃস্টি বা এই প্রেক্ষিতকে ঘিরে পরবর্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

 অধিকাংশ মানুষ যখন শান্তি প্রত্যাশী হয় তখনই একটি অভূতপুর্ব পরিবর্তন ঘটে চলে। শহর নগর এবং বন্দরগুলি সমৃদ্ধশালী হতে শুরু করে।যেহেতু পরিবর্তনের কথা হচ্ছে তাই এটা ভাল হোক মন্দ হোক সেটা কোন বিবেচনা নয় বরং পরিবর্তনটা কতটা প্রকাশ্য আর কতটুকু আন্ডারগ্রউন্ড কর্মকান্ড দ্বারা বিকশিত হচ্ছে তার ধারনাই আসল।প্রধান স্টেকহোল্ডার জনগন ছাড়াও আরও অংশিদ্বারও পরিবর্তনকে ঘিরে তাদের কার্যক্রম সাজায়। কর্মসূচী দেয়। এবং ব্যাবসা বানিজ্যের মধ্য দিয়ে এটা কিছুটা টেকসই হলে পরে তখন একটি ভবিষৎ দর্শনের অবশ্যম্ভাবী অংশ হয়ে যায়।এই পর্যায়ে এসে ধারাবাহিকতা নানামুখি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে দেখা যায়। পরোক্ষ স্টেকহোল্ডরদেরকে ষড়যন্ত্র করতে উদ্বুদ্ধ করে নানাধরনের ব্যাবসায়িক উদ্যেশ্য। অবশ্য এসবের পেছনে যে ধর্মের আঁচল ঘেষা মানুষদের জন্য শুধু একটি সুন্দর ভবিষৎ এর প্রত্যাশা থাকে এবং ছিল তা বেমালুম ভুলে যাওয়া হত।   কেবল এটাই শুধু নয়। হয়তো অতীত থেকে বিদ্যমান অনেক পরিকল্পিত বাস্তবায়ন ও বিবিধ সমস্যার সাময়ীক সকল সমাধান নিয়ে যখন রাজনৈতীক অঙ্গন এগিয়ে এসেছে, মানুষের জাগরুক এসব প্রত্যাশা ও শহর নির্মানের প্রাচীন শৈলীর মাঝে একটি...

দ্বান্দিক বস্তুুবাদ (Dialectical Materialism) সবচাইতে রহস্যজনক বস্তুুবাদের নাম

মার্কসবাদের মৌলিক নীতি মার্কসবাদের মৌলিক নীতিগুলি হল: দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত মূল্যের তত্ত্ব, শ্রেণী সংগ্রাম, বিপ্লব, সর্বহারা শ্রেণীর একনায়কত্ব এবং সাম্যবাদ । দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূলনীতি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ অনুসারে, বস্তুজগতই দ্বন্দ্বের কারণ।   দ্বন্দ্ববাদী পদ্ধতিতেই বস্তুজগতের গতি, পরিবর্তন, রূপান্তর, ও বিকাশ ব্যাখ্যা করা যায়।   দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ অনুসারে, বস্তুবাদের অর্থ হল বস্তুগত জগতে মন বা আত্মা থেকে স্বাধীন বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতা রয়েছে।   দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ অনুসারে, প্রকৃতি ও তার ঘটনাবলির মূল ভিত্তি হল বস্তু।   কিন্তু বাস্তব নিয়মে দেখা যায় পেশাজীবিদের দ্বন্দই হল ভয়াবহ বাস্তবতা। অথচ তবু   পেশাজীবিদের দ্বন্দ  দ্বান্দিক বস্তুবাদের ব্যাখ্যার অনেক দূরে।

অচেনা অতিথি বহুভাষী প্রকৃতি ছেড়াবেড়া ছেড়াবেড়া অবস্থা

  অচেনা অতিথি বহুভাষী প্রকৃতি ছেড়াবেড়া ছেড়াবেড়া অবস্থা একটা আধুনিক প্রকৃতির ধরন কেমন হওয়া উচিৎ। এর জন্য কি ধরনের শিক্ষার প্রয়োজন। কিংবা আদৌ কোন শিক্ষার প্রয়োজন আছে কিনা।1900 সালের পর থেকে অনেকগুলো যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটে গেছে এই বিশ্বে। অনেক নতুন নতুন আবিষ্কার হয়েছে। বিশ্বের নতুন কিছু মহাদেশে মানুষের  অভিবাসন শুরু হয়েছে। কিছু জাতি অর্থাৎ পশ্চিমা দেশগুলো দখল করে নেয় নতুন আবিষ্কৃত ওই মহাদেশ গুলো। দখল করে নেয় এবং ব্যাপকহারে অভিবাসন শুরু করে।বিশ্বে এছাড়া তখন তেমন কোনো নতুন পরিবর্তন হয়নি বললেই চলে। দরিদ্র এবং অনুন্নত দেশগুলোতে যুদ্ধ এবং মহামারীতে বহু লোক মারা যাচ্ছে। মানুষের মৃত্যুর মিছিলে দেশান্তরী হওয়ার জন্য বিভিন্ন ছোট ছোট রাজ্যে এবং সাম্রাজ্যে তখন ব্যাপক একটা সাড়া পড়ে যায় ।অনেকেই তখন গোলযোগের মধ্যেও নতুন আবিষ্কৃত দেশগুলির দিকে মনোযোগ দেয় । যেখানে জীবনের অবস্থানের পরিবর্তন করার জন্য মানুষ অনেকেই তখন মরিয়া হয়ে উঠে ।তখন সেখানে পাড়ি জমাতে চেষ্টা করে। আর কিছুই ছিল কিছুই তেমন করার ছিল না। করছে সামান্য এবং কিছু মুষ্টিমেয় মানুষ। মানব জাতির ধারণা ততদিনে বদলে গিয়ে...